ফ্রেশ পাসপোর্ট হোল্ডারদের করণীয়? What should fresh passport holders do?
সূচিপত্র
Fresh Passport Essential Tips
নিজেকে গোছানোর জন্য প্রাথমিক ভাবে এগুলো ফলো করা যেতে পারে। যাদের প্রোফাইল সাধারন তাদের নিয়েই আজকের ব্লগ সাজানো হয়েছে।
যাদের প্রোফাইল খুবই সাধারন তারা ধীরে চলা নীতিতে আগাতে হবে। অথাৎ ২/১ বছরের মধ্যে অনেক গুলো দেশ ভিজিট করে তারপর উন্নত দেশের ভিসার জন্য আবেদন করা সমীচীন নয়। এ ধরণের লোভের ফাঁদে পা দেয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে, ভিসা দিবে এম্বাসি আবেদনকারীর যোগ্যতা অনুসারে। কারোর কথার ওপর ভিসা দেয় না, দিবেও না। নিজেকে পরিপূর্ণ ভাবে সেটআপ করে নিতে হবে যে, আমি কোন দেশে অবৈধভাবে থাকতে ইচ্ছুক নই। প্রথমে নিজের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে হবে যে আমি সঠিক পথে বিশ্ব ভ্রমন করব এবং সবকিছু জেনেবোঝে নিজে নিজে করব। প্রয়োজনে অভিজ্ঞদের সহায়তা নিব।
যদি আপনি একজন রিয়েল ট্রাভেলার হন তাহলে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে, শিখতে হবে তারপর আগাতে হবে। এজন্য প্রচুর রিসার্চ করতে হবে, পড়তে হবে। ভৌগোলিক নলেজ তো থাকতেই হবে। এজন্য প্রায়ই মানচিত্র নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে হবে।
আমাদের ধৈয্য শক্তি কম আর তাই আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য উঠেপড়ে লেগে যাই এবং খুব দ্রুত পূরণ করতে চাই। আর যার কারণে বাংলাদেশীদের ভিসা রিফিউজের সংখ্যাটাও বেশি।
রিফিউজের আরেকটা অন্যতম কারণ হচ্ছে আমরা নিজেরা ভিসা প্রসেসিং করি না, এজেন্সিকে দিয়ে দেই। আবার এজেন্সিকে দেয়ার পরও নিজের কাগজপত্র ভালভাবে চেক করে দেই না। এজেন্সিকে টাকা দিয়ে দিলেই সব শেষ হয়ে যায় না, নিজে সবকিছু মিলিয়ে দেখতে হয়। তাছাড়া নিজেও কিছু শেখার চেষ্টা করি না। আর আমাদের এ দুর্বলাতাকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর অসাধু এজেন্সিগুলো মোটা অংকের ব্যবসা করে যাচ্ছে।
অনেক অযোগ্য লোকের হাতে এ ব্যবসা চলে গেছে। আর তারা লাখ লাখ মানুষকে প্রতারিত করছে।
আর এ সুযোগটা আমরাই করে দেই। আবার অনেক এজেন্সি আবেদনের চাপের কারণে ঠিকমত কাগজপত্র রেডি করে না। আবেদনেও ভুল করে। অনেক সময় ফেইক ডকুমেন্ট দিয়ে দেয়। এতে করে ব্লাক লিস্টে পড়ে যাই। পরে ঐ দেশে তো আবেদন করাই যাবে না বরং এর কারণে অন্যান্য দেশও ভিসা দিতে ঝামেলা করে। সব এজেন্সি যে এমন করে তা কিন্তু নয়। তবে ওরা যা করে তা হলো আবেদনকারীর যোগ্যতা দেখে না, আবেদনকারী যেখানে আবেদন করতে চায় তারা সেখানেই আবেদন করে। ভিসা পাবার কতটুকু পসিবিলিটি আছে তা যাচাই করে না। কারণ ভিসা না হলে তাদের কোন সমস্যা নাই। তারা একটা সার্ভিস চার্জ তো পাবেই।
আসলে ভ্রমন হচ্ছে আপনার মন যখন যেখানে যাইতে বলবে আপনি সেখানেই যাবেন সে দেশের নিয়মকানুন অনুসরণ করে। এখানে সিরিয়ালি দেশ সাজানোর দরকার পড়ে না। তবে আমরা যেহেতেু ৩য় বিশ্বের একটি গরীব দেশ এবং আমাদের পাসপোর্ট সবুজ ও আমাদের আয় সীমিত তাই আমাদেরকে একটি ট্যুর প্লান করে আগাতে হয়। মন চাইলেই আমরা অনেক দেশে যেতে পারি না।
যে দেশ গুলো ভ্রমন করবেন সেই দেশ গুলোর বিমান বন্দর, স্থল বন্দর, সমুদ্র বন্দর , ট্রেন স্টেশন, বাস স্টেশন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। খাদ্যাভ্যাস, সংস্কৃতি, মুদ্রামান ও স্থানীয়দের সম্পর্কে একটা ধারণা থাকতে হবে। বাংলাদেশের সাথে ঐ দেশের সম্পর্ক কেমন তা জানতে হবে। আপনার কাঙ্ক্ষিত দেশের এম্বাসি আমাদের দেশে আছে কিনা তা জানতে হবে। এম্বাসি গুলো সরাসরি ভিজিট করতে হবে। তাহলে অনেক ভুলভ্রান্তি দূর হয়ে যাবে। দেশী-বিদেশী ট্রাভেল রিলেটেড বিভিন্ন আর্টিক্যাল পড়তে হবে। বিভিন্ন ব্লগ নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে হবে। ফেসবুক , ইউটিউবসহ বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া থেকে রিয়েল তথ্র সংগ্রহ করতে হবে।
ভাষার ওপর জোর দিতে হবে, বিশেষ করে ইংরেজি ভাষার ওপর। এ ভাষার ওপর আপনার যত বেশি আধিপত্য থাকবে আপনি তত বেশি তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন খুব সহজেই। ওয়েবসাইট গুলো মাঝে মাঝে ভিজিট করা জরুরি। ভাষার ওপর দক্ষতা আপনাকে ইন্টারনেট থেকে অনেক তথ্য পেতে সহায়তা করবে। আপনাকে প্রচুর প্রশ্ন করা শিখতে হবে। আর এর মাধ্যমে আপনি অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে যাবেন।
নতুন পাসপোর্টধারীদের কি করা উচিত? ফ্রেশ পাসপোর্ট হোল্ডারদের করণীয়? What should fresh passport holders do?
★ কোন দেশ দিয়ে ট্রাভেল শুরু করবেন?
যেহেতেু আপনি একজন সাধারণ ট্রাভেলার এবং ফ্রেশ পাসপোর্টধারী। সুতরাং আপনাকে ভেবে চিন্তে আগাতে হবে। সবচেয়ে কম খরচে যে দেশ গুলো ভ্রমন করা যায় এবং আমাদের নিকটবর্তী ও সহজেই ভিসা পাওয়া যায় সেগুলোই প্রথম তালিকায় রাখা ভাল।
প্রথমে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা নেয়া যেতে পারে। কারণ ভারতের ভিসা পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ ও তেমন বড় কোন ডকুমেন্ট লাগে না। তাছাড়া ভারত একটি বৃহৎ দেশ যার পরিচিতি বিশ্বব্যাপী। এছাড়াও ভারত আপনাকে দিচ্ছে স্টিকার ভিসা।
তারপর অল্প টাকায় নেপাল ও ভুটান ঘুরে আসতে পারেন। নেপাল ও ভুটান যেতে আপনার কোন ভিসা লাগবে না এবং আপনি চাইলে কম টাকায় ভারত হয়ে বাই রোডে ভ্রমন করতে পারেন। বিস্তারিত জানতে ভ্রমনের পূর্বে গ্রুপে পোস্ট দিন এবং গ্রুপে সার্চ দিন। এই তিনটি দেশ ভ্রমনের পর আপনার সাহস ও আত্ববিশ্বাস দুটোই বাড়বে।
বিঃদ্রঃ বর্তমানে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিন্ম দিকে থাকায় ভিসা জটিলতা অনেক তাই এখন নেপাল,মালদ্বীপ,শ্রীলঙ্কা বেস্ট চয়েজ।
তারপর থাইল্যান্ড ভ্রমন করা যেতে পারে। থাইল্যান্ড থেকে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস ভ্রমন করা যেতে পারে। এখন কিছুটা প্রমান হবে আপনি একজন ট্রাভেলার এবং ট্রাভেল সম্পর্কে আপনার মোটামুটি ভাল একটা ধারণা আসবে।
এরপর আপনি শ্রীলংকা ও মালদ্বীপ কিংবা মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া অথবা ফিলিপাইন ভ্রমন করতে পারেন।
তারপর আপনি মিডিল ইস্টের দিকে নজর দিতে পারেন এবং আফ্রিকার কিছু দেশও ভ্রমণ করতে পারেন। এরপর আপনার প্রোফাইল অনুযায়ী যেকোনো উন্নত দেশের জন্য চেষ্টা করতে পারেন, এবং শেষে শীর্ষস্থানীয় উন্নত দেশগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে পারেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনাকে ব্যতিক্রমী কিছু দেশ ভ্রমণ করতে হবে। যেগুলো খুব কম সংখ্যক ট্রাভেলারই ভ্রমন করে থাকেন। সচরাচর সবাই যে দেশগুলো ভ্রমন করে এগুলো ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাগন দেখতে দেখতে এক ধরণের বিরক্ত হয়ে যান। তাই এগুলা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন তাতে দ্রুতই উন্নত দেশ ভ্রমনের সুযোগ পেতে পারেন।
তাছাড়া কোন কোন দেশ বাংলাদেশীদের অন এ্যারাইভাল ও ভিসামুক্ত সুবিধা দিচ্ছে সেগুলোও প্রাথমিক তালিকায় রাখতে পারেন। এতে করে ভিসা জটিলতায় কম পড়বেন
মনে রাখবেন, আপনি যে দেশেই যান না কেন কমপক্ষে ৩-৪ রাত থাকার চেষ্টা করবেন। শুধু সিল লাগিয়ে চলে আসবেন না। আপনি যখন কোন উন্নত দেশের ভিসার জন্য আবেদন করবেন তখন এগুলো যাচাই হবে। দেখবে আপনি কোন ধরণের ট্রাভেলার।৭দিনে ৩দেশ ভ্রমন এই ধরনের গ্রুপ প্যাকেজ পরিহার করুন।
★ কোন দেশে কখন যাবেন?
১ম বছর ভারত, নেপাল, ভুটান। ২য় বছর সাউথ ইস্ট এশিয়া, ৩য় বছর সাউথ ইস্ট এশিয়া + সার্কের উন্নত দেশ। ৪র্থ বছর মিডল ইস্ট+ আফ্রিকার কিছু দেশ। ৫ম বছর কিছু উন্নত দেশ যেমন সেনজেনভুক্ত দেশ আর ৬ষ্ঠ বছর স্বপ্নের দেশ গুলোতে। বছরে ৩/৪টি দেশ ভ্রমন করাই ভাল। তবে ট্রাভেলারের ধরণ অনুযায়ী অনেক কিছুই সামনে পিছনে আসতে পারে এবং অনেক দেশ এতে যোগ হতে পারে। এটা জাস্ট আমার ব্যক্তিগত মতামত। অনেকেরই অনেক রকমের প্লান থাকতে পারে।
মোটকথা আপনি একজন রিয়েল ট্রাভেলার তা প্রমাণ করতে হলে আপনাকে যথেষ্ট সময় নিয়ে ট্রাভেল করতে হবে। একটা দেশ ভ্রমনের ভাল একটা গ্যাপ দিয়ে আবার অন্য দেশের জন্য ট্রাই করুন। কন্টিনিউ ভ্রমন সন্দেহভাজন ব্যক্তি তালিকায় পড়তে পারেন একসাথে অনেক দেশ ভ্রমন করা সমীচীন নয়। তবে ২/৩টি দেশ ভ্রমন করা যেতে পারে। কোথায়ও ফেইক ডকুমেন্ট দেয়া যাবে না। যে দেশে যাবেন সেই দেশের আইন ভালভাবে মেনে চলতে হবে।
★ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ
ইমিগ্রেশনঃ বিষয়ে ভাল ধারণা রাখতে হবে। ট্যুর প্লান ও রোড ম্যাপ খুব সুন্দর করে সাজাতে হবে। পাসপোর্টে যেন কোনভাবেই রিজেক্ট সিল না পড়ে সেদিকে ১০০% নজর রাখতে হবে। আর সংঘাতময় দেশগুলো এড়িয়ে চলাই ভাল।
ব্যাংক স্টেটমেন্টঃ ভিসার ক্ষেত্রে ব্যাংক স্টেটমেন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যাংক থেকে একটা স্টেটমেন্ট তুলে দিলেই কিন্ত হলো না। এখানে আপনার নিয়মিত ট্রানজেকশন থাকতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ টি লেনদেন থাকতে হবে। আর সেভিংস একাউন্ট হলে আপনার বেতনের সাথে জমানো টাকার একটা মিল থাকতে হবে। নিয়মিত ট্রানজেকশন থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, ভিসার আবেদনের কয়েকদিন আগে বেশি টাকা জমা দিয়ে আবেদন করলেই ভিসা পাওয়া যায় না। এগুলো ইমিগ্রেশন কর্মকমর্তাগণ খুব ভাল করেই বোঝেন। আর পাসপোর্ট ডেলিভারীর পূর্ব পর্যন্ত ব্যাংক থেকে টাকা না তোলাই উত্তম। আর ব্যাংক একাউন্টে সবসময়ই একটা মিনিমাম ভাল মানের ব্যালেন্স ধরে রাখতে হবে। অর্থাৎ এর নিচে যেন ব্যালেন্স না নামে।
ছবি প্রসঙ্গঃ ভিসার ক্ষেত্রে ছবি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবসময়ই এম্বাসির নিয়মমত ছবি দিতে হবে। তবে আপনার পাসপোর্টে যে ছবি দেয়া আছে এবং ভিসাতে যে ছবি আছে তা পরবর্তী ভিসার আবেদনে না দেয়াই উত্তম, সেটা হোক ১৫ দিন কিংবা ২ মাস।
আরেকটা বিষয় হলো , অনেকেই বলে থাকে যে, আমি কয়টা দেশ ভিজিট করলে সেনজেন, কানাডা, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মত দেশের ভিসা পেতে পারি। এটার সহজ উত্তর হলো বিশ্বের কোন দেশই এমন শর্ত দেয় নাই যে তাদের দেশের ভিসার জন্য আপনাকে এতগুলো দেশ ভ্রমন করতে হবে। এটা আমাদের আবেগের বিষয়। তবে হাই প্রোফাইলধারীগণ ফ্রেশ পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা পায় আবার অনেকে ৩০+ দেশ ভ্রমণ করেও ভিসা পায় না।
এটা পুরোপুরি ডিপেন্ড করে ব্যক্তির মাসিক আয়, আয়ের স্বচ্ছতা ও তার সামাজিক মর্যাদার ওপর, দেশ ভ্রমনের ওপর নয়। আবার এমনও হয়, ভিসা পাবার পরও অনেক ব্যক্তি সেই দেশে প্রবেশ করতে পারে না। ইমিগ্রেশন তাকে আটকে দেয়। রিয়েল ট্রাভেলার হিসেবে তাকে বিশ্বাস করতে পারে নি। এক্ষেত্রে আপনার কয়েকটি দেশ ভ্রমন করা থাকলে একটু জোর করে কথা বলতে পারবেন, এটাই একটু উপকার হবে।
অর্থনৈতিক স্বচ্ছতাঃ ভিসার ক্ষেত্রে অথনৈতিক স্বচ্ছতা অক্সিজেনের মত কাজ করে। আপনি যদি বৈধভাবে টাকা আয় করেন, এবং সরকারকে নিয়মিত ইনকাম ট্যাক্স, ভ্যাট ও রিটার্ন দাখিল করেন তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার সম্পর্কে একটা স্বচ্ছ ধারনা চলে আসবে।
কোন দেশে যাবেন, কি কি ডকুমেন্ট লাগবে, কিভাবে সাজাতে হবে, কিভাবে আবেদন পূরণ করতে হবে তা জানতে নির্দিষ্ট দেশের নাম লিখে পোস্ট দিন, সবাই সহযোগিতা করবে। এটা একটা প্রাথমিক ধারণা। নিজেকে গোছানোর জন্য। তাছাড়া পাসপোর্ট কিভাবে তৈরি করবেন তাও জানতে পারেন । তবে এক্ষেত্রে নিজের সার্টিফিকেট, এনআইডি, জন্ম নিবন্ধন ও পিতামাতার এনআইডির সাথে মিল রেখে করতে হবে।
ছাত্র অবস্থায় ভ্রমনঃ ছাত্র অবস্থায় আপনি আপনার পিতামাতার ব্যাংক সাপোর্ট নিয়ে বিদেশ ভ্রমন করতে হবে। এক্ষেত্রে তাদের ভাল আয় ও পেশাগত মর্যাদা আপনার ভ্রমনে সহায়ক হবে।
এক হচ্ছে সবুজ পাসপোর্ট আরেকটি হচ্ছে বাংলাদেশী। বাংলাদেশী হিসেবে অনেক ইমিগ্রশনই আমাদের ভাল চোখে দেখে না, মূল্যায়ন করে না। এর কারণ হলো আমরা ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে অবৈধ হয়ে যাচ্ছি কিংবা অন্য যে কোন অবৈধ পথে প্রবেশ করছি। আর এটাই প্রকৃত ট্রাভেলারদের পথের কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
“RKS“
ভিডিও - ফ্রেশ পাসপোর্টে কিভাবে বিদেশ ট্রাভেল শুরু করবেন !! How to travel on fresh passport ✈
বিভিন্ন দেশের ভিসা তথ্য জানতে
উপসংহার
নতুন পাসপোর্ট থাকলেও সঠিক প্রস্তুতি নিলে ভিসা পাওয়া সম্ভব। ব্যাংক ব্যালেন্স, ইনকাম প্রমাণ, স্পন্সর (প্রয়োজন হলে) এবং সম্পূর্ণ সঠিক নথি জমা দিলে ফ্রেশ পাসপোর্টধারীদেরও ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে যায়। সঠিক তথ্য ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সহজেই আপনি সহজেই নতুন পাসপোর্ট দিয়ে ভ্রমন শুরু করতে পারবেন । আশা করি, এই ব্লগটি আপনার জন্য সহায়ক হবে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
হ্যাঁ, নতুন পাসপোর্টধারীদের জন্য কিছু অতিরিক্ত নথি জমা দেওয়া ভালো, যেমন: ব্যাংক স্টেটমেন্ট (কমপক্ষে ৬ মাসের) নির্ভরযোগ্য ইনকাম সোর্সের প্রমাণ (চাকরির ক্ষেত্রে স্যালারি স্লিপ, ব্যবসার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স) ট্রাভেল ইটিনারারি (ফ্লাইট ও হোটেল বুকিং) ইত্যাদি।
সবসময় না। তবে, যদি আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ইনকাম সোর্স শক্তিশালী না হয়, তাহলে স্পন্সর (যেমন বাবা-মা, আত্মীয়, বা অফিস) দেখানো সুবিধাজনক হতে পারে।
সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ নথি জমা দিন। আগে কাছের কিছু দেশ (যেমন ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড) ভ্রমণ করে পাসপোর্টে ট্রাভেল হিস্টোরি তৈরি করুন। পর্যাপ্ত ব্যাংক ব্যালেন্স দেখান (কমপক্ষে ১,০০,০০০ টাকা)। ভিসা আবেদন ফর্ম নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
হ্যাঁ, কারণ ট্রাভেল হিস্টোরি না থাকলে দূতাবাস সন্দেহ করতে পারে। তবে উপযুক্ত নথি থাকলে এবং আপনার আর্থিক ও প্রফেশনাল স্থিতিশীলতা প্রমাণ করতে পারলে রিজেকশনের সম্ভাবনা কমে যায়।
সামাজিক মাধ্যমের লিঙ্ক সমূহঃ
ফেসবুক: 👆এখানে ক্লিক করুন👆
ইনস্টাগ্রাম: 👆এখানে ক্লিক করুন👆
টুইটার: 👆এখানে ক্লিক করুন👆
লিঙ্কডইন: 👆এখানে ক্লিক করুন👆
ইউটিউব: 👆এখানে ক্লিক করুন👆
ফ্রেশ পাসপোর্ট হোল্ডারদের করণীয়? । What should fresh passport holders do? । Fresh passport ।ফ্রেশ পাসপোর্ট
